• ১৯ কার্তিক ১৪৩৩, সোমবার ০৯ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India Vs England

খেলার দুনিয়া

হারের হ্যাটট্রিকে চাপে শ্রেয়স, বৈভবের অভিষেক রঙহীন; ইংল্যান্ডের কাছে হেরে সিরিজে পিছিয়ে ভারত

ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের দুর্দশা যেন কাটছেই না। বিশ্বকাপজয়ী দলের আত্মবিশ্বাস কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছে। নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের নেতৃত্বেও সেই হতাশার ছবিই আরও স্পষ্ট হল। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১৯০ রান করেও জয় ছিনিয়ে আনতে ব্যর্থ হল ভারত। এক ওভার হাতে রেখেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলল স্বাগতিকরা। ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে অধিনায়ক হিসেবে টানা তিনটি ম্যাচ হেরে সমালোচনার মুখে পড়লেন শ্রেয়স আয়ার।এই ম্যাচে সবচেয়ে বেশি নজর ছিল তরুণ বৈভব সূর্যবংশীর দিকে। আয়ারল্যান্ড সিরিজ এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সুযোগ না পাওয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। অবশেষে দ্বিতীয় ম্যাচে সঞ্জু স্যামসনের পরিবর্তে একাদশে জায়গা পান বৈভব। ভারতের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের নজির গড়লেও ব্যাট হাতে সেই অভিষেক স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না তিনি।তবে শুরুটা ছিল যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। জফ্রা আর্চার ও জশ টংয়ের মতো অভিজ্ঞ পেসারদের বিরুদ্ধে দুটি দৃষ্টিনন্দন ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের প্রতিভার ঝলক দেখান বৈভব। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারলেন না। উইল জ্যাকসের বলে ক্রিজ ছেড়ে বড় শট খেলতে গিয়ে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েন তিনি। মাত্র ১০ বলে ১৪ রান করে সাজঘরে ফিরতে হয় এই তরুণ ব্যাটারকে।অন্য প্রান্তে অভিষেক শর্মা নিজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। আগ্রাসী মেজাজে খেলতে খেলতে মাত্র ২৪ বলে ৪৩ রান করেন তিনি। কিন্তু অর্ধশতরানের দোরগোড়ায় পৌঁছে স্যাম কারেনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন। তাঁর বিদায়ের পর ভারতের ইনিংসে কিছুটা গতি কমে যায়।মধ্যক্রমে ঈশান কিশন ও অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার দায়িত্ব নেওয়ার চেষ্টা করলেও কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ঈশান ৪৯ এবং শ্রেয়স ৩৭ রান করেন। ইংল্যান্ডের বোলাররা চমৎকার পরিকল্পনায় ভারতের ব্যাটারদের বড় বাউন্ডারির দিকে শট খেলতে বাধ্য করেন। ঝুঁকিপূর্ণ সেই শট খেলতে গিয়ে একের পর এক উইকেট হারায় ভারত।শেষের দিকে তিলক বর্মা মাত্র ১১ বলে ২৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেললেও শিবম দুবে ও অক্ষর পটেল ব্যর্থ হন। ফলে একসময় ২০০ রানের সম্ভাবনা তৈরি হলেও ভারত থামে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রানে। হার্দিক পাণ্ড্য না থাকায় অতিরিক্ত বোলার খেলাতে গিয়ে ব্যাটিং গভীরতায় ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যা ভারতের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। অর্শদীপ সিংহ প্রথম ওভারেই শূন্য রানে ফিরিয়ে দেন দুই বিধ্বংসী ওপেনার ফিল সল্ট এবং জস বাটলারকে। ম্যাচের শুরুতে ভারতের দিকেই পাল্লা ভারী ছিল।কিন্তু সেখান থেকেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। মাত্র ১৫ বলে ৩৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে চাপ সরিয়ে দেন তিনি। পরে টম ব্যান্টন ৩৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। তবে ম্যাচের আসল নায়ক হয়ে ওঠেন জেকব বেথেল।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শতরান করেও ভারতের বিরুদ্ধে দলকে জেতাতে পারেননি বেথেল। এবার সেই আক্ষেপ মুছে দিলেন তিনি। ভারতীয় বোলারদের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে মাত্র ৪৬ বলে অপরাজিত ৭৬ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। শেষের দিকে তাঁর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের সামনে কার্যত অসহায় দেখায় ভারতীয় বোলিং আক্রমণকে।ভারতের বোলাররা শুরুতে সাফল্য পেলেও মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলতে ব্যর্থ হন। ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা বড় জুটি গড়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যায়। শেষ দিকে কয়েকটি উইকেট পড়লেও তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। এক ওভার হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ায় এই জয় ইংল্যান্ডকে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিল। এখন সিরিজে ফিরতে হলে বাকি তিনটি ম্যাচের প্রতিটিতেই জিততে হবে ভারতকে। তবে বর্তমান ফর্ম, ব্যাটিংয়ের অনিয়মিত পারফরম্যান্স এবং মাঝের ওভারে বোলিংয়ের ধারহীনতা দেখে সেই কাজ মোটেও সহজ মনে হচ্ছে না।নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের জন্যও পরিস্থিতি ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। অধিনায়ক হিসেবে এখনও জয়ের মুখ দেখেননি তিনি। টানা তিনটি পরাজয়ের পর তাঁর নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আগামী ম্যাচগুলোয় ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে শুধু সিরিজ নয়, দলের আত্মবিশ্বাসও আরও বড় ধাক্কার মুখে পড়তে পারে।

জুলাই ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ওভালে ইতিহাস! 'নেভার গিভ আপ' আর 'বিলিভ' মন্ত্রেই শুভমান-সিরাজদের বাজিমাত

ওভালে ইতিহাস গড়ল ভারত। ৬ রানে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে। যা টেস্টে গত একশো বছরে দেখেনি ওভাল। টেস্টে রানের নিরিখে এটিই ভারতের সবচেয়ে কম ব্যবধানে জয়। যার ফলে অ্যান্ডারসন-তেন্ডুলকর ট্রফির পাঁচ টেস্টের সিরিজ ২-২। প্রতিটি টেস্ট পঞ্চম দিন অবধি গড়িয়েছে, যা টেস্ট ফরম্যাটের সেরা বিজ্ঞাপন।আজ শেষদিন টেস্ট জিততে ভারতের দরকার ছিল চার উইকেট, ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৩৫ রান। জেমি স্মিথ আর জেমি ওভার্টনকে ফিরিয়ে দেন মহম্মদ সিরাজ। জশ টং প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর শিকার। এরপর এক হাতে ব্যাট করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামেন ক্রিস ওকস। কাঁধের হাড় সরেছে ফিল্ডিং করতে গিয়ে। দৌড়ে রান নেওয়ার সময় যন্ত্রণা ধরা পড়ছিল তাঁর অভিব্যক্তিতে। তবে ব্যাট করতে হয়নি। গাস অ্যাটকিনসন মরণপণ চেষ্টা করছিলেন। যদিও মহম্মদ সিরাজের পারফেক্ট ইয়র্কার ভারতকে উপহার দিল স্মরণীয় জয়। হ্যারি ব্রুক ও জো রুটের ১৯৫ রানের পার্টনারশিপ ইংল্যান্ডের সিরিজ জেতার সম্ভাবনা জোরালো করেছিল। যদিও ৬৬ রানের মধ্যে শেষ সাত উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ড থামল ৩৬৭ রানে। শেষ ৬ উইকেটের পতন ৩৫ রানের মধ্যে।মহম্মদ সিরাজ পাঁচটি টেস্টেই খেলেছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিলেন। সিরিজে সর্বাধিক উইকেটশিকারী। সিরাজ বললেন, গতকাল যদি ব্রুকের ক্যাচটা নিতে পারতাম তাহলে খেলা আজ অবধি গড়াত না। ওই ক্যাচ পড়ার পর ব্রুক টি২০ মেজাজে খেলতে থাকেন। ফলে ওটা ম্যাচ চেঞ্জিং মোমেন্ট হতে পারতো। আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজের প্রতি বিশ্বাস ছিল যে আমিই জেতাতে পারব। বিলিভ লেখা ইমেজ গুগল থেকে নামিয়ে ওয়ালপেপারে রেখেছিলাম দলকে জেতানোর অঙ্গীকার করে।লর্ডস টেস্টে ভারত হেরেছিল। মহম্মদ সিরাজ রক্ষণাত্মকভাবে খেলার পরেও বল গড়িয়ে উইকেটে লেগে বেল পড়েছিল, জেতে ইংল্যান্ড। আজ সেই সিরাজ শেষ উইকেট পেলেন অ্যাটকিনসনকে বোল্ড করে। সিরাজের কথায়, সেদিন রবীন্দ্র জাদেজা বলেছিলেন ঠিকঠাক ডিফেন্স করতে আর প্রয়াত বাবার কথা মাথায় রাখতে, যাঁর জন্যে এই অবধি পৌঁছেছি। কিন্তু সেদিন পারিনি জেতাতে। আজ জিততে পেরে ভালো লাগছে। রবি শাস্ত্রী তো বলেই দিলেন, সিরাজ হায়দরাবাদে ফিরলে তাঁকে প্রোমোশন দেওয়া উচিত। আর ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ যথেষ্ট নয়!ভারত অধিনায়ক শুভমান গিলকে জড়িয়ে ধরতে দেখা গেল হেড কোচ গৌতম গম্ভীরকে। দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের কাছে আর অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে টেস্ট সিরিজ হারের পর এই প্রথম গম্ভীরের প্রশিক্ষণাধীন ভারত টেস্ট সিরিজ ড্র করল। ভারতীয় শিবির ওভালে রুদ্ধশ্বাস টেস্ট জেতাকে সিরিজ জয় হিসেবেই ভাবছে। টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে প্রথম সিরিজেই সিরিজ সেরা হলেন সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী গিল, ইংল্যান্ডের তরফে ব্রুক। শুভমান বলেন, দলে কৃষ্ণ, সিরাজের মতো বোলার থাকলে অধিনায়কের কাজ সহজ হয়ে যায়। উই নেভার গিভ আপ। অর্থাৎ শেষ অবধি নাছোড় লড়াই চালানোই যে তাঁদের মূল মন্ত্র সেটাও জানাতে ভুললেন না দল নিয়ে গর্বিত গিল। গিল যথার্থই বললেন, এই সিরিজে সব টেস্টের শেষদিনের শুরুতেও কেউ নিশ্চিত হতে পারেনি কে জিতবে। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক বেন স্টোকস চোটের কারণে ওভালে খেলতে পারেননি। তিনি গিলের সঙ্গে সহমত যে, দুই দল যেভাবে এই সিরিজ খেলল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা-সহ, তার যথার্থ প্রতিফলন ২-২ ফল হওয়া।

আগস্ট ০৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

ম্যাঞ্চেস্টারে মহারণ! পন্থকে নিয়ে স্বস্তি, আকাশের জায়গায় কম্বোজের অভিষেক?

পাঁচ টেস্টের সিরিজ আপাতত ২-১। বুধবার থেকে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে শুরু হচ্ছে অ্যান্ডারসন-তেন্ডুলকর ট্রফির চতুর্থ টেস্ট। দুই দলের একাদশেই পরিবর্তন আসছে। বেন স্টোকসরা ইতিমধ্যেই প্রথম এগারো ঘোষণা করে দিয়েছেন। ম্যাঞ্চেস্টারের আবহাওয়া ও পিচ দেখে ভারত একাদশ ঘোষণা করবে টসের সময়েই।ভারতীয় শিবিরে চোট-আঘাতের সমস্যা। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে এসে ভারত অধিনায়ক শুভমান গিল জানিয়ে দিলেন, আঙুলের চোট সারায় সহ অধিনায়ক ঋষভ পন্থ উইকেটকিপিং করবেন। তবে চতুর্থ টেস্ট খেলতে পারবেন না আকাশ দীপ। লর্ডস টেস্টে তিনি কুঁচকিতে চোট পান। নেটে বল করেননি। ম্যাঞ্চেস্টারে বোলিং কোচ মর্নি মরকেলের সামনে বল করতে গিয়ে স্বচ্ছন্দ বোধ করেননি আকাশ। ফিট হতে তাঁর সময় লাগবে। হাঁটুর চোট সিরিজ থেকেই ছিটকে দিয়েছে অলরাউন্ডার নীতীশ কুমার রেড্ডিকে।ফলে তিনে বি সাই সুদর্শনের খেলা নিশ্চিত। বৃষ্টির ফলে ঢাকা পিচের কাছে গিয়ে তাঁকে শ্যাডো প্র্যাকটিস করতে দেখা গিয়েছে। গিল করুণ নায়ারকে খেলানোর ইঙ্গিতও দিয়ে রেখেছেন। এই অবস্থায় করুণ ছয়ে ব্যাট করতে যেতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। ইংল্যান্ড সফরে তিনটি টেস্ট খেলার কথা ছিল জসপ্রীত বুমরাহর। তিনি ম্যাঞ্চেস্টারেই খেলবেন। ইংল্যান্ডের পিচগুলির মধ্যে ম্যাঞ্চেস্টারেই সবচেয়ে বেশি সুবিধা আদায় করে নিতে পারেন পেসাররা। যেভাবে বৃষ্টিতে পিচ ঢাকা থাকছে তাতে খেলা শুরুর সময় থেকে উইকেটের আর্দ্রতার কারণে ব্যাটারদের অস্বস্তিতে ফেলতে পারেন সিমাররা, মানছেন শুভমান।এই টেস্টে অংশুল কম্বোজের টেস্ট অভিষেক হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা। একাদশে জায়গা পেতে তাঁর লড়াই প্রসিধ কৃষ্ণর সঙ্গে। তবে প্রসিধের বিরুদ্ধে যাচ্ছে ৫৫-র উপর বোলিং গড়, সাড়ে পাঁচের কাছাকাছি ইকনমি। ইংল্যান্ডে তিনি বিশেষ সুবিধা করতে পারেননি। সেই সঙ্গে তাঁর চেয়ে কম্বোজের ব্যাটের হাত অনেক ভালো। সে কারণেই অংশুল কম্বোজ হতে চলেছেন ম্যাঞ্চেস্টারে ভারতের সারপ্রাইজ প্যাকেজ। উল্লেখ্য, গত বছর রঞ্জি ট্রফিতে হরিয়ানার কম্বোজ কেরলের বিরুদ্ধে ৪৯ রানের বিনিময়ে ইনিংসে দশ উইকেট নিয়েছিলেন।চোটের কারণে ইংল্যান্ডের স্পিনার শোয়েব বশির ছিটকে গিয়েছেন সিরিজ থেকেই। লর্ডসে চোট নিয়ে বল করতে গিয়ে মহম্মদ সিরাজের জয়সূচক উইকেটটি বশির নিয়েছিলেন। স্টোকসদের একাদশে বশিরের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন লিয়াম ডসন। আট বছর পর তিনি টেস্ট খেলবেন। ইংল্যান্ড আত্মবিশ্বাসী, এই টেস্ট জিতে সিরিজ পকেটে পুরে ফেলার ব্যাপারে। ভারতের কাছে সিরিজ বাঁচিয়ে রাখার চ্যালেঞ্জ।ভারতের সম্ভাব্য একাদশ- যশস্বী জয়সওয়াল, লোকেশ রাহুল, বি সাই সুদর্শন, শুভমান গিল (অধিনায়ক), ঋষভ পন্থ (উইকেটকিপার), করুণ নায়ার, রবীন্দ্র জাদেজা, ওয়াশিংটন সুন্দর, অংশুল কম্বোজ, জসপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ।ইংল্যান্ডের একাদশ- জ্যাক ক্রলি, বেন ডাকেট, অলি পোপ, জো রুট, হ্যারি ব্রুক, বেন স্টোকস (অধিনায়ক), জেমি স্মিথ (উইকেটকিপার), লিয়াম ডসন, ক্রিস ওকস, ব্রাইডন কার্স, জোফ্রা আর্চার।

জুলাই ২২, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

T-20 ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি ভারত, ইংল্যান্ডকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিল রোহিতরা

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টি টোয়েন্টি ফাইনালে রোহিতদের ভারত। এবার সামনে শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে ফাইনালের লড়াই জোরদোর হবে বলেই মনে করছে অভিজ্ঞমহল। ভারতের ১৭১ রান তাড়া করতে নেমে ৮ বলে ৫ রান করে জসপ্রিত বুমরাহর বলে ফিরে যান ওপেনার ফিল সল্ট। অপর ওপেনার তথা উইকেটকিপার-অধিনায়ক জস বাটলার অক্ষর প্যাটেলের বলে ঋষভ পন্থের হাতে ধরা পড়েন। বাটলার ১৫ বলে ৪টে চার সহযোগে ২৩ রান করেছেন। অক্ষর প্যাটেলের বলে বিনা রানে ফিরে যান জনি বেয়ারস্টো। অক্ষর প্যাটেলের বলে মঈন আলিকে স্ট্যাম্পড করেন ঋষভ পন্থ। ৪ বলে ২ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন সাম কুরান। কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হন হ্যারি ব্রুক। তার আগে ব্রুক ৩টে চার সহযোগে ১৯ বলে ২৫ রান করেছেন। ৫ বলে ১ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন ক্রিস জর্ডান। ২ বলে ২ রান করা আদিল রশিদকে রান আউট করেন সূর্যকুমার যাদব। তার মধ্যেই চেষ্টা করছিলেন জোফ্রা আর্চার। তিনি ১টি চার ও ২টি ছয়-সহ ১৫ বলে ২১ রান করেন। এই সময় জসপ্রিত বুমরাহর বলে এলবিডব্লিউ হন আর্চার। যার জেরে ১৬.৪ ওভারে ১০ উইকেটে ১০৩ রানে থেমে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস।প্রত্যাশা ছিলই। বিশেষজ্ঞরা বলছিলেন, ভারতের লুকোনো অস্ত্র। তার ওপর গায়ানার স্পিনার সহায়ক পিচ। আর তাতেই কবজির মোচড়ে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং অর্ডারে ধস নামিয়ে দিলেন ভারতের স্পিনার কুলদীপ যাদব। ৪ বলে ২ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন সাম কুরান। কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হন হ্যারি ব্রুক। তার আগে ব্রুক ৩টে চার সহযোগে ১৯ বলে ২৫ রান করেছেন। ৫ বলে ১ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন ক্রিস জর্ডান। কুলদীপ যাদবের বলেই রান নেওয়ার সময় রান আউট হন লিয়াম লিভিংস্টোন। তিনি ১৬ বলে ১১ রান করেছেন।ইংল্যান্ড ১০ ওভার ১ বলে ছয় উইকেট হারিয়েছে। ৮ বলে ৫ রান করে জসপ্রিত বুমরাহর বলে ফিরে গিয়েছেন ওপেনার ফিল সল্ট। অপর ওপেনার তথা উইকেটকিপার-অধিনায়ক জস বাটলার অক্ষর প্যাটেলের বলে ঋষভ পন্থের হাতে ধরা পড়েছেন। বাটলার ১৫ বলে ৪টে চার সহযোগে ২৩ রান করেছেন। অক্ষর প্যাটেলের বলে বিনা রানে ফিরে যান জনি বেয়ারস্টো। অক্ষর প্যাটেলের বলে মঈন আলিকে স্ট্যাম্পড করেন ঋষভ পন্থ। ৪ বলে ২ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন সাম কুরান। কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হন হ্যারি ব্রুক। তার আগে ব্রুক ৩টে চার সহযোগে ১৯ বলে ২৫ রান করেছেন। ৫ বলে ১ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন ক্রিস জর্ডান।২০ ওভারে ৭ উইকেটে ভারত তুলল ১৭১ রান। সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেছেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তিনি ৬টি চার ও ২টি ছয় সহযোগে ওই রান করেন। সহ-অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া করেছেন ১টি চার ও ২টি ছয় সহযোগে ১৩ বলে ২৩ রান। ক্রিস জর্ডানের বলে হার্দিকের ক্যাচ নেন সাম কুরান। হার্দিক আউট হতেই নেমেছিলেন শিবম দুবে। কিন্তু, তিনি প্রথম বলেই বিনা রানে মুখ দেখিয়ে ফিরে যান। জর্ডানের বলে দুবের ক্যাচ নেন জস বাটলার। একটি ছয়-সহ ছয় বলে ১০ রান করে ক্রিস জর্ডানের বলে ফিল সল্টের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান অক্ষর প্যাটেল।

জুন ২৮, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

‌Ind vs Eng Test : ম্যাঞ্চেস্টারের ভারত–ইংল্যান্ড স্থগিত টেস্ট হবে সামনের বছর জুলাইয়ে

ভারতীয় দলের কয়েকজন সদস্য করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় সেপ্টেম্বরে ম্যাঞ্চেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ভারতইংল্যান্ড টেস্ট স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। ২০২২র জুলাইয়ে আবার সেই টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। তবে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে নয়, এই টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে এজবাস্টননে। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতইংল্যান্ডের পঞ্চম টেস্ট যখন স্থগিত হয়ে যায়, তখন ২১ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়েছিল ভারত। বাতিল হওয়ার পর টেস্টের ভবিষ্যত নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ইংল্যান্ড চেয়েছিল তাদের জয়ী ঘোষণা করা হোক। ভারতীয় শিবির রাজি হয়নি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়ে বাতিল টেস্ট ম্যাচের জন্য সবরকম ক্ষতিপূরণ দেবে। পাশাপাশি এটাও বলা হয়েছিল, ২০২২ সালের সফরে গিয়ে একটা অতিরিক্ত টি২০ ম্যাচও খেলতে রাজি। আর যদি স্থগিত হয়ে যাওয়া টেস্ট খেলতে হয়, তাহলে তা ওই ৫ টেস্টের সিরিজের অংশ বলে গন্য হবে না। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড অবশ্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রস্তাবে রাজি হয়নি। তারা আইসিসির ডিসপুট রেজিলিউশন কমিটির কাছে সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য আবেদন জানায়। অবশেষে ইংল্যান্ড বোর্ডেরই জয় হল। কারণ, তারা চেয়েছিল ভারত আবার ইংল্যান্ডে গিয়ে অসমাপ্ত সিরিজ খেলুক। অর্থাৎ আগামী বছর ইংল্যান্ড সফরে গিয়ে জো রুটদের বিরুদ্ধে খেলতে হবে বিরাট কোহলিদের। এই টেস্টের পরই নিশ্চিত হবে ভারত সিরিজ জিতল কিনা। ১ জুলাই থেকে এজবাস্টনে হবে অনু্ষ্ঠিত হবে অসমাপ্ত টেস্ট। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ফু ফাইটার্স ও রেড হট চিলি পেপার্সের কনসার্ট রয়েছে। তাই ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের পরিবর্তে এজবাস্টনে টেস্ট সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ১ জুলাই থেকে স্থগিত হওয়া টেস্ট হবে বলে ভারতইংল্যান্ড সীমিত ওভারের ক্রিকেট সিরিজও এক সপ্তাহ পিছিয়ে যাচ্ছে। একদিনের ম্যাচের পরিবর্তে এজবাস্টনে ৯ জুলাই টি২০ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

অক্টোবর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌T20 World Cup : প্রস্তুতি ম্যাচে ভারত জিতলেও প্রশ্ন থেকে গেল হার্দিককে নিয়ে

টি২০ বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে সব দলের লক্ষ্য থাকে টিম কম্বিনেশন দেখে নেওয়া। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের প্রস্তুতি ম্যাচে সকলের নজর ছিল হার্দিক পান্ডিয়ার দিকে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর বোলিং না করা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। আদৌও সম্পূর্ণ সুস্থ তো হার্দিক? আইপিএলে একটা ম্যাচেও বোলিং করেননি। প্রস্তুতি ম্যাচে বোলিং করেন কিনা সেটাই ছিল দেখার। না, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও বল হাতে দেখা গেল না হার্দিককে। বিশ্বকাপে তঁার বল করা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেল। হার্দিক পরীক্ষায় পাশ না করলেও, উত্তীর্ণ ঈশান কিষান। তাঁর সামনেও ছিল বড় পরীক্ষা। ওপেনিংয়ে রোহিত শর্মার সঙ্গে কে জুটি বাঁধবেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। যদিও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামার আগে টস করার সময়ই কোহলি ধোঁয়াশা দূর করে দিয়েছিলেন রোহিতের সঙ্গী হিসেবে লোকেশ রাহুলের নাম ঘোষণা করে। তিন নম্বরে নামবেন কোহলি নিজে। তাহলে ঈশান কিষান? হয়তো প্রথম একাদশের বাইরেই থাকতে হবে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে যেভাবে ব্যাটিং করলেন, তাঁকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখা কঠিন হবে। এদিন ব্যাট করতে নেমে ভালোই শুরু করেছিলেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জেসন রয় (১৭) ও জস বাটলার (১৮)। মহম্মদ সামি প্রথম ব্রেক থ্রু দেন বাটলারকে তুলে নিয়ে। জেসন রয়কেও তিনি ফেরান। দাওইদ মালানকে (১৮) আউট করেন রাহুল চাহার। এরপর ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান জনি বেয়ারস্টো ও লিভিংস্টোন। লিভিংস্টোনকে (৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন সামি। বুমরার দুরন্ত ইয়র্কারে বোল্ড হন বেয়ারস্টো (৪৯)। শেষ দিকে মঈন আলির (২০ বলে অপরাজিত ৪৩) ঝড়ে ২০ ওভারে ১৮৮/৫ রানে পৌঁছয় ইংল্যান্ড। ব্যাট করতে নেমে ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও ঈশান কিষান দারুণ শুরু করেছিলেন। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৮২। এরপর মার্ক উডের বলে আউট হন লোকেশ রাহুল (২৪ বলে ৫৪)। ঈশান কিশান ৪৬ বলে করেন ৭০। দুই ওপেনার দাপট দেখালেও গেলেও প্রস্তুতি ম্যাচে রান নেই কোহলি ( ১৩ বলে ১১), সূর্যকুমারদের (৮) ব্যাটে। লোকেশ ও ঈশানই ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেন। বাকি কাজ সারেন ঋষভ পন্থ (১৪ বলে অপরাজিত ২৯) ও হার্দিক পান্ডিয়া (১০ বলে অপরাজিত ১২)। ১ ওভার বাকি থাকতেই ৭ উইকেটে জয় ভারতের (১৯২/৩)।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌nd vs Eng Manchester Test : বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসি–কে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের

করোনা আতঙ্কে ভারতীয় ক্রিকেটাররা ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ টেস্ট খেলতে চাননি। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ওল্ড ট্রাফোডের টেস্ট বাতিল করেছিল। বাতিল হওয়া পঞ্চম টেস্ট ফের কবে অনুষ্ঠিত হবে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড দফায় দফায় আলোচনায় বসেও কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি। বল ঠেলে দেওয়া হয়েছে আইসিসি-র কোর্টে। বাতিল হওয়া ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট কবে ফের আয়োজন করা যায়, তার সমাধানসূত্র বের করতে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে বিশ্বের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের মুখপাত্র এ খবর জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমরা আইসিসিকে চিঠি দিয়েছি বাতিল হওয়া টেস্ট ম্যাচের ভবিষ্যত জানতে চেয়ে।আরও পড়ুনঃ ২০০৮ সালের ২৬/১১র প্রসঙ্গ কেন তুললেন গাভাসকার?ইংল্যান্ড সফরের শেষদিকে ভারতীয় শিবিরে থাবা বসিয়েছিল করোনা ভাইরাস। চতুর্থ টেস্ট চলাকালীনই ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শাস্ত্রীর সংস্পর্ষে আসা আরও তিন সাপোর্ট স্টাফকে লন্ডনের টিম হোটেলে আইসোলেশনে থেকে যেতে হয়। বাকি দল পঞ্চম টেস্ট খেলতে ম্যাঞ্চেস্টার রওয়া হয়। কিন্তু ওল্ড ট্র্যাফোর্ড ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যে পঞ্চম টেস্ট শুরু হওয়ার আগে সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমারের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ক্রিকেটাররা। কোহলিরা খেলতে না চাওয়ায় ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট বাতিল করা হয় বলে শোনা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা বিবৃতি জারি করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ কী হবে ভারতইংল্যান্ড বাতিল টেস্টের ভবিষ্যত?ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট বাতিল হয়ে গেলেও সিরিজে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ভারত। বাতিল হওয়া ম্যাচ ফের খেলা হলে ভালো, না হলে বিজয়ী ভারতকে ঘোষণা করা হবে, নাকি ইংল্যান্ডের পক্ষে ২২ ফলাফলে সিরিজে ইতি টানা হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ২০২২ সালে আবার ইংল্যান্ড সফরে যাবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ১ জুলাই ওল্ড ট্রাফোর্ডে প্রথম টি২০ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও ইংল্যান্ড। দুই দলের মধ্যে পরের দুটি টি২০ ম্যাচ ট্রেন্টব্রিজ ও সাউদাম্পটনে অনুষ্ঠিত হবে। ৩ ও ৬ জুলাই হবে এই দুটি ম্যাচ। এরপর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাদেরই মাটিতে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ খেলবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ৯, ১২ এবং ২৪ জুলাই যথাক্রমে এজবাস্টন, কিয়া ওভাল ও লর্ডসে হবে মোকাবিলা। তারই ফাঁকে করোনা ভাইরাসের জেরে বাতিল হয়ে যাওয়া ভারত ও ইংল্যান্ড ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট আয়োজন করা সম্ভব কিনা, সে ব্যাপারে আই সি সির সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Gavaskar : ২০০৮ সালের ২৬/‌১১–র প্রসঙ্গ কেন তুললেন গাভাসকার?‌

ভারতীয় দলের ফিজিও যোগেশ পারমারের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় ম্যাঞ্চেস্টারে ভারত ও ইংল্যান্ড পঞ্চম টেস্ট নিয়ে প্রথমে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। পরে ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনা করে টেস্ট না খেলার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। জানা গেছে, আতঙ্কেই খেলতে চাননি ক্রিকেটাররা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড চায় ভবিষ্যতে বাতিল হওয়া টেস্ট ম্যাচ খেলতে। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডও এই ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছে। যদিও এই টেস্ট ম্যাচটি সিরিজের অংশ হবে না। বাতিল হওয়া টেস্ট আবার খেলা হবে, আর দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের এই সিদ্ধান্তকে প্রশংসা করেছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার। আর এই ব্যাপারে তিনি উদাহরণ তুলে ধরেছেন, ২০০৮ সালের ২৬/১১র ঘটনা। মুম্বইয়ে সন্ত্রাস বাদী হামলার জন্য একদিনের সিরিজের দুটি ম্যাচ বাতিল হয়েছিল। পরে ভারতে এসে ইংল্যান্ড ওই দুটি ম্যাচ খেলেছিল। এই প্রসঙ্গে সুনীল গাভাসকার বলেছেন, দুই দেশের বোর্ড যে আবার বাতিল হওয়া টেস্ট ম্যাচ খেলতে রাজি হয়েছে, আমি মনে করি এটি সঠিক পদক্ষেপ হবে। ২০০৮ সালে ২৬/১১ সন্ত্রাস বাদী হামলার পর ইংল্যান্ড দল যা করেছিল তা আমাদের কখনই ভুলে যাওয়া উচিত নয়। সিরিজ শেষ করতে ওরা আবার পরে ফিরে এসেছিল। ইংল্যান্ড দল তখন বলতে পারত যে, ওরা ভারতকে নিরাপদ বোধ করছে না। আবার খেলতে ফিরে আসবে না। ইংল্যান্ড কিন্তু তা করেনি। সন্ত্রাসবাদীরা যখন মুম্বই আক্রমণ করেছিল, তারপরই সফরকারী ইংল্যান্ড দলের সঙ্গে ভারতের কটকে ম্যাচ ছিল। হামলার কারণে শেষ ২ টি একদিনের ম্যাচ বাতিল হয়েছিল। ইংল্যান্ড তাৎক্ষণিকভাবে দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু পরে দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে ফিরে আসে। যে সিরিজে ভারত ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল। সিরিজ শেষ করার ব্যাপারে তৎকালীন ইংল্যান্ড অধিনায়ক কেভিন পিটারসেনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সুনীল গাভাসকার। তিনি বলেন, কখনই ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে কেভিন পিটারসেন সেই দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তিনিই ছিলেন প্রধান ব্যক্তি। কেভিন পিটারসেন যদি সেই সময়ে ভারতে আসতে অস্বীকার করতেন, তাহলে সফরটি সেখানেই শেষ হয়ে যেত। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পুনরায় ম্যাচ খেলার প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে সুনীল গাভাসকার বলেন, বাতিল টেস্ট আগামী বছর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের পর অনুষ্ঠিত হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : আবার করোনার হানা ভারতীয় শিবিরে, পঞ্চম টেস্ট নিয়ে অনিশ্চয়তা

শুক্রবার থেকে ম্যাঞ্চেস্টারে ভারতইংল্যান্ড সিরিজের পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট শুরু হওয়ার কথা। ভারতীয় দলের সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমার করোনা আক্রান্ত হওয়ায় শেষ টেস্ট নির্ধারিত সময়ে শুরু হওয়া নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এর আগে রবি শাস্ত্রী এবং বোলিং কোচ ভরত অরুণ আক্রান্ত হন। বৃহস্পতিবার যোগেশ পারমারের রিপোর্ট পজিটিভ আসতেই তড়িঘড়ি অনুশীলন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড। গতকাল ভারতীয় দল ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অনুশীলন করে। কিন্তু এরপরই জানা যায় দলের সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমারের করোনা পজিটিভ। এরপর আজ সকালে দলের সকলের করোনা পরীক্ষা হয়েছে। রিপোর্ট না আসা অবধি সকলকে টিম হোটেলের ঘরেই থাকতে বলা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ভারতীয় দল আজ ম্যাচের আগের দিন অনুশীলন করতে পারেনি। বাতিল হয়েছে প্রি ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সও। জানা গিয়েছে, সকালে গোটা দলের সঙ্গে কথা হয়েছে বিসিসিআই কর্তাদের। বিসিসিআই ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডকে অনুরোধ করেছে ফিজিও-র ব্যবস্থা করার জন্য। কারণ, রবি শাস্ত্রীর করোনা ধরা পড়ার পর আইসোলেশনে চলে গিয়েছিলেন বিরাটদের ফিজিও নীতীন প্যাটেল। ফলে তাঁর ভূমিকা পালন করছিলেন পারমার। এবার তাঁরও করোনা ধরা পড়ল। শাস্ত্রীর সংস্পর্শে আসার কারণে প্রধান ফিজিও নীতিন প্যাটেল আগেই আইসোলেশনে চলে যান। বৃহস্পতিবারের ঘটনায় ভারতীয় দলে আর কোনও ফিজিওই অবশিষ্ট রইল না। ওভালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ২১ এগিয়ে যাওয়ার মুহূর্ত ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর ছাড়া বাকিদের টিভিতেই দেখতে হয়। ভারতের সব ক্রিকেটার এবং সাপোর্ট স্টাফ জোড়া ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন আগেই। ব্রিটেনে কোভিডের বিধিনিষেধ উঠে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরেছে। তাই কড়াকড়ি বায়ো বাবল আর নেই। রবি শাস্ত্রী তাঁর একটি বইপ্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টিম হোটেলে। এ জন্য তিনি বিসিসিআই বা ইসিবি, কারও কাছ থেকেই নাকি অনুমতি নেননি। তারপর থেকেই কোভিডের উপসর্গ দেখা দিতে থাকে ভারতের হেড কোচের মধ্যে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ওই অনুষ্ঠানে ভিড়ের মধ্যেই কোনও কোভিড আক্রান্তের সংস্পর্শে আসেন শাস্ত্রী।আপাতত ভারতীয় ক্রিকেটারদের বলা হয়েছে নিজেদের ঘরেই থাকার জন্য। টেস্টের ভবিষ্যৎ নিয়ে ইসিবি-র সঙ্গে কথা চালাচ্ছেন বিসিসিআই কর্তারা। ভারতীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ ভারতীয় দলের ভার্চুয়ালি প্রেস কনফারেন্স হওয়ার কথা জানা গিয়েছিল। হেড কোচ রবি শাস্ত্রী করোনা আক্রান্ত হয়ে লন্ডনে, সঙ্গে বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধরও। এই পরিস্থিতিতে কেয়ারটেকার কোচের ভূমিকায় রয়েছেন ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর। তিনি বা বিরাট কোহলি ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন বলে ঠিক ছিল। কিন্তু সেই সাংবাদিক বৈঠক বাতিল হয়েছে। পারমার গতকাল অনুশীলনের পর কোভিড উপসর্গ অনুভব করেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর বিকেলে করোনা পরীক্ষা হতেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে।এর মাঝে বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলিও একটি অনুষ্ঠানে সিরিজের শেষ ম্যাচ ঘিরে অনিশ্চয়তার কথা জানান। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না ম্যাচ আদৌ হবে কি না। তবে চাইব যাতে ম্যাচটা হয়। প্রাক ম্যাচ সাংবাদিক বৈঠকের সময় নির্ধারিত ছিল সন্ধে ৭:৩০এ। খেলোয়াড়রা আইসোলেশনে। খুব স্বাভাবিকভাবে সেই সাংবাদিক সম্মেলন বাতিল হল। বোর্ডের কাছেও উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ ছিল। এই ম্যাচ আর পাঁচটা ম্যাচের মতো হলে শ্রীলঙ্কা সিরিজে যেমনটা ঘটেছিল, তার পুনরাবৃত্তি ঘটতেই পারত। মাঝে একআধখানা দিন অপেক্ষা করে শেষ টেস্ট খেলা যেত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে। এক্ষেত্রে, তেমনটা সম্ভব নয়। বহু কষ্টে বাকি আইপিএলের জন্য একটা ফাঁকা উইন্ডো পেয়েছে বিসিসিআই। টেস্ট সিরিজ শেষ হলেই শুরু আইপিএল। ক্রিকেটারদের এমনিই শ্বাস নেওয়ার সময় নেই। এর মধ্যেই ইসিবি থেকে বিরাটদের কাছে নাকি ভারতকে ওয়াকওভার দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। বিরাট এবং ভারতের আরেক তারকা রোহিত শর্মা বিসিসিআইকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে রেখেছেন, তাঁরা কোনওভাবেই ম্যাচ ছাড়তে রাজি নন। প্রয়োজনে কোভিড আশঙ্কা নিয়েও মাঠে নামতে রাজি। একমাত্র ভারতকে সিরিজ জয়ী ঘোষণা করা হলে তবেই শেষ ম্যাচ ছাড়বেন। নয়তো দুই বোর্ড আলোচনা করে নতুন কোনও দিনক্ষণ স্থির করুক। ইংল্যান্ড ক্রিকেটার জস বাটলার বলেন, আমরা কাল নামার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করছি ম্যাচটা হবে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : উমেশের ধাক্কা সত্ত্বেও প্রথম ইনিংসে ৯৯ রানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড

দিনের শুরুতে উমেশ যাদব ধাক্কা দিলেও ইংল্যান্ডকে তেমন বেকায়দায় ফেলা গেল না। ভারতের বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৯৯ রানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। বিপর্যয় সামলে দলকে এগিয়ে দিলেন অলি পোপ, ক্রিস ওকসরা। ভারতের ১৯১ রানের জবাবে প্রথম দিনের শেষে ইংল্যান্ড তুলেছিল ৩ উইকেটে ৫৩। উমেশ যাদবের বলে দিনের শেষবেলায় আউট হয়েছিলেন অধিনায়ক জো রুট (২১)। দ্বিতীয় দিন খেলা শুরু হতেই স্কোর বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই আউট হন ক্রেগ ওভার্টন (১)। তাঁকে তুলে নিয়ে টেস্ট কেরিয়ারের ১৫০ উইকেট দখল করেন উমেশ যাদব। এরপর দাওইদ মালানকেও ফেরান উমেশ। ৩১ রান করে স্লিপে রোহিত শর্মার হতে ক্যাচ দেন মালান। ৬২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ইংল্যান্ড। সেখান থেকে দলকে টেনে নিয়ে যান অলি পোপ ও জনি বেয়ারস্টো। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৪২ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৯। পোপ পাঁচটি চারের সাহায্যে ৬৬ বলে ৩৮ এবং বেয়ারস্টো ৬৩ বলে ৩৪ রানে ক্রিজে ছিলেন। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন মহম্মদ সিরাজ। তাঁর বলে জনি বেয়ারস্টো (৩৭) লেগ বিফোর হন। এরপর অলি পোপের সঙ্গে জুটি বেঁধে ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান মঈন আলি (৩৫)। রবীন্দ্র জাদেজার বলে স্লিপে তিনি রোহিতের হাতে ক্যাচ দেন। সেঞ্চুরি থেকে ১৯ রান আগে শার্দুল ঠাকুরের বলে বোল্ড হন অলি পোপ (৮১)। তিনি যখন আউট হন, ইংল্যান্ড ২৫০ রানের গন্ডি পার করে গেছে। রবিনসন (৫) দ্রুত ফিরলেও ইংল্যান্ডে ২৯০ রানে পৌঁছে দেন ক্রিস ওকস (৫০)। ভারতের হয়ে উমেশ যাদব ৭৬ রানে ৩টি উইকেট নেন। বুমরা ও জাদেজা পেয়েছেন ২টি করে উইকেট। শার্দুল ও সিরাজের ভান্ডারে ১টি করে।দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভালই শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল। দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারত তুলেছে বিনা উইকেটে ৪৩। রোহিত ২০ ও লোকেশ রাহুল ২২ রানে অপরাজিত রয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : অসহায় আত্মসমর্পন কোহলিদের, সিরিজে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড

হেলিংলেতে তৃতীয় দিন চেতেশ্বর পুজারা ও বিরাট কোহলির ব্যাটিং দেখে আশায় বুক বেঁধেছিলেন ভারতীয় সমর্থকরা। অলৌকিক কিছুর প্রত্যাশায় ছিলেন। চতুর্থদিন প্রথম সেশনেই সব আশা শেষ। মধ্যাহ্নভোজের আগেই গুটিয়ে গেল ভারত। দুরন্ত রবিনসনের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন বিরাট কোহলিদের। ইনিংস ও ৭৬ রানে তৃতীয় টেস্ট জিতে সিরিজে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড। ভারতের শেষ ৭ উইকেট পড়ল মাত্র ৪১ রানে। বাইশ গজ অনেকটাই ব্যাটিং সহায়ক হয়ে উঠেছিল। চতুর্থ দিন সকালের প্রথম ঘণ্টা নতুন বল সামলে নিতে পারলেই কাজটা সহজহয়ে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের কাছে। হয়তো ম্যাচও বেঁচে যেত। কিন্তু হতাশ করলেন বিরাট কোহলিরা। ভারতের শেষ ৮ উইকেট তুলে নিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাতে ইংল্যান্ডের একটা সেশনও লাগল না। আগের দিনের ২ উইকেটে ২১৫ রান হাতে নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে ভারত। চেতেশ্বর পুজারা ৯১ ও বিরাট কোহল ৪৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। এদিন কোনও রান করার আগেই অলি রবিনসনের বল জাজমেন্ট দিয়ে ছাড়তে গিয়ে বিপত্তি। বল লাগে পুজারার প্যাডে। আম্পায়ার প্রথমে আউট দেননি। ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট রিভিউ নেন। টিভি আম্পায়ারের সাহায্য নিয়ে অনফিল্ড আম্পায়ার রিচার্ড কেটলবরো সিদ্ধান্ত পাল্টাতে বাধ্য হন। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার পুজারা আউট হলেন নার্ভাস নাইন্টিতে। ২০১৭ সালের মার্চে বেঙ্গালুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৯২ রানে আউট হয়েছিলেন। এদিন শতরান হাতছাড়া ৯ রানের জন্য।পুজারা ৯১ রানে আউট হওয়ার পর আশা ছিল বিরাট কোহলিকে নিয়ে। ম্যাচের ৮৭তম ওভারের শেষ বলে জেমস অ্যান্ডারসনের বলে কট বিহাইন্ডের আবেদনে আম্পায়ার আউট দিয়েছিলেন। রিভিউ নিয়ে রক্ষা পান ভারত অধিনায়ক। তখন তিনি ৪৬ রানে ব্যাট করছিলেন। এরপর ৯০তম ওভারের প্রথম বলে অলি রবিনসনকে চার মেরে সিরিজের প্রথম অর্ধশতরান পূর্ণ করেন কোহলি। ১২০ বলে টেস্ট জীবনের ২৬তম টেস্ট হাফ সেঞ্চুরি আসে কোহলির ব্যাট থেকে। একই ওভারের পঞ্চম বলে চার মেরে পৌঁছে যান ৫৫। ওভারের শেষ বলে প্রথম স্লিপে জো রুটের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান কোহলি। কোহলি যখন আউট হন, ভারতের রান ২৩৭। কোহলি ফিরে যাওয়ার পর ধস ভারতের ইনিংসে। ১ ওভার পরেই জেমস অ্যান্ডারসনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন অজিঙ্কা রাহানে (১০)। মিছিলে পা মেলান ঋষভ পন্থ (১), মহম্মদ সামি (৬), ইশান্ত শর্মারা (২)। রবীন্দ্র জাদেজা (৩০) সামান্য লড়াই করেন। ইশান্তকে ফিরিয়ে রবিনসন ইনিংসে ৫ উইকেট দখল করেন। তাঁর দুরন্ত স্পেল ভারতের হার নিশ্চিত করে দেয়। ওভারটন নেন ৩ উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন অ্যান্ডারসন ও মঈন। ২৭৮ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস। ম্যাচের সেরা রবিনসন।

আগস্ট ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IND vs ENG Test : আবার সেঞ্চুরি রুটের, হেডিংলেতে চালকের আসনে ইংল্যান্ড

লর্ডস টেস্টে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নেওয়ার পর দেশের বোলারদের নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। আশায় ছিল, হেডিংলেতেও জ্বলে উঠবেন। কিন্তু ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলেন না যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামিরা। ভারতীয় বোলারদের ব্যর্থতার সুযোগ নিয়ে তৃতীয় টেস্টে চালকের আসনে ইংল্যান্ড। আবার অধিনায়কোচিত সেঞ্চুরি জো রুটের। চলতি সিরিজে সেঞ্চুরির হ্যাটট্রিক সেরে ফেললেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। ভারতের প্রথম ইনিংস ৭৮ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর প্রথম দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল বিনা উইকেটে ১২০। ররি বার্নস ৫২ ও হাসিব হামিদ ৬০ রানে ক্রিজে ছিলেন। প্রথমদিন যেখানে শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই দ্বিতীয় দিন শুরু করে ররি বার্নসহাসিব হামিদ জুটি। সকালের পরিবেশের কথা ভেবে প্রথম ৩০ মিনিট ভারতীয় বোলারদের কিছুটা সমীহ করেন এই দুই ব্যাটসম্যান। পরে সময় যত গড়িয়েছে, দাপট দেখিয়েছেন বার্নস ও হামিদ। ওপেনিং জুটিতে দুজনে তোলেন ১৩৫ রান। জুটি ভাঙেন মহম্মদ সামি। তিনি তুলে নেন ররি বার্নসকে। ৬১ রান করে বোল্ড হন বার্নস। দলের ১৫৯ রানের মাথায় ফেরেন অন্য ওপেনার হাসিব হামিদ। ৬৮ রান করে তিনি রবীন্দ্র জাদেজার বলে বোল্ড হন। রুট নামার পর ইংল্যান্ডের স্কোরবোর্ড দারুণ সচল ছিল। এই সময় ভারতীয় বোলাররা দিশেহারা হয়ে পড়েছিল। জুটি ভাঙতে ৮০ ওভার শেষ হতেই দ্বিতীয় নতুন বল নেন কোহলি। কোনও লাভ হয়নি। কোহলি নতুন বল নিতেই রুটের দাপট যেন বেড়ে গিয়েছিল। মধ্যাহ্নভোডের বিরতির সময় ইংল্যান্ডের স্কোর ছিল ১৮২/২। সেখান থেকে চাবিরতিতে ২৯৮/৩।দুই ওপেনার ফিরে যাওয়ার পর ডেভিড মালানেন সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক জো রুট। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ওঠে ১৩৯ রান। ২৯৮ রানের মাথায় ইংল্যান্ড তৃতীয় উইকেট হারায়। ৭০ রান করে মহম্মদ সামির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন মালান। এরপর জনি বেয়ারস্টোকে সঙ্গে নিয়ে দলের লিড বাড়ানোর ফাঁকে দুরন্ত শতরান উপহার দেন রুট। বেয়ারস্টোকে (২৯) তুলে নেন সামি। রুট এদিন কেরিয়ারের ২৩তম টেস্ট শতরান পূর্ণ করলেন মাত্র ১২৪ বলে। ১২টি চারের সাহায্যে। রুটের বিধ্বংসী ফর্ম, সেই সঙ্গে প্রথম তিন ব্যাটসম্যানেরই অর্ধশতরানের সুবাদে রানের পাহাড় করছে ইংল্যান্ড। ১৬৫ বলে ১২১ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন রুট। ইংল্যান্ডের রান তখন ৩৮৩। পরের ওভারেই জাদেজার বলে আউট হন মঈন আলি (৮)। ইংল্যান্ডকে ৪০০ রানের গন্ডি পার করে দেন স্যাম কারেন ও ক্রেগ ওভারটন।

আগস্ট ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ND vs ENG Test : রোহিতের সঙ্গে ওপেনিংয়ে কে?‌ ধোঁয়াশা রাখলেন কোহলি

বুধবার থেকে নটিংহ্যামের ট্রেন্টব্রিজে শুরু হচ্ছে ভারতইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজ। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় সংস্করণের এটাই প্রথম টেস্ট। সাধারণত ম্যাচের আগের দিন প্রথম একাদশ ঘোষণা করে দেয় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে মাঠে নামার আগে প্রথম একাদশ নিয়ে ধোঁয়াশা রেখে দিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেনিংয়ে কে, মিডল অর্ডারই বা কীভাবে সাজানো হচ্ছে, খোলসা করলেন না।আরও পড়ুনঃ মাথায় চোট পেয়ে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন মায়াঙ্ক আগরওয়ালম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে কোহলি বলেন, ম্যাচের দিন সকালে প্রথম একাদশ ঘোষণা করব। রোহিতের সঙ্গে কে ওপেন করবে, তা চূড়ান্ত হয়ে গেছে। প্রথম একাদশ নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। মহম্মদ সিরাজের বলে মাথায় চোট পেয়ে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গিয়েছেন ময়াঙ্ক আগরওয়াল। অভিমন্যু ঈশ্বরণের ট্রেন্টব্রিজে টেস্ট অভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা কম। রোহিত শর্মার সঙ্গে সম্ভবত ওপেন করবেন লোকেশ রাহুল অথবা হনুমা বিহারী। শার্দুল ঠাকুরের প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি উড়িয়ে দেননি কোহলি। তিনি বলেন, শার্দুল অলরাউন্ডার হিসেবে সুযোগ পেতেই পারে। টেস্টসহ যে কোনও ফরম্যাটেই শার্দুলের উপস্থিতি দলে ভারসাম্য এনে দেয়।আরও পড়ুনঃ বেলজিয়ামের কাছে হেরে সোনার স্বপ্ন শেষ মনপ্রীতদেরচেতেশ্বর পূজারার অফফর্ম ও মন্থর ব্যাটিং নিয়ে চিন্তিত নন কোহলি। তিনি বলেন, আমি মনে করি পুজারা ক্ষমতাসম্পন্ন ক্রিকেটার। ওর যা অভিজ্ঞতা রয়েছে তাতে এই বিষয়টি ওর উপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত। খেলায় কোথায় কী খামতি হচ্ছে সেটা বুঝে তা পুষিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারই পারে। দলের প্রত্যেকেই ওয়াকিবহাল দলের ভালোর জন্য কী প্রয়োজন। সমালোচনা অপ্রয়োজনীয়। পুজারাও এ সবে গুরুত্ব দেয় না।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুট্রেন্টব্রিজ ভারতের কাছে পয়া মাঠ। ২০১৮ সালের ইংল্যান্ড সফরে ভারত পাঁচ টেস্টের সিরিজে ১৪ ব্যবধানে হেরেছিল ভারত। ওই সিরিজে একমাত্র জয় এসেছিল ট্রেন্টব্রিজে। এবার কি পয়া মাঠে জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করতে পারবে ভারত? বিরাট কোহলি কি ২০১৮ সিরিজের মতো জ্বলে উঠতে পারবেন? দুই ইনিংসে ৯৭ ও ১০৩ রান করে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন কোহলি। এবারও তাঁকেই টার্গেট করছে ইংল্যান্ড শিবির। চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য তৈরি ভারত অধিনায়কও।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াটেস্টে ৫ বার জেমস অ্যান্ডারসনের বলে আউট হয়েছেন বিরাট কোহলি। যদিও ২০১৮র সিরিজে অ্যান্ডারসন একবারও কোহলিকে আউট করতে পারেননি। এবারও বিরাটের উইকেটই যে ইংল্যান্ড টার্গেট করছে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন অ্যান্ডারসন। তিনি বলেন, আমাদের যে কোনও বোলার বিরাটের উইকেট পেলে ভালোই। তা নিয়ে কোনও আক্ষেপ থাকবে না। এই উইকেটটা আমাদের কাছে খুব বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। শুধু ব্যাটসম্যান নন, অধিনায়ক হিসেবেও বিরাট দলকে দারুণভাবে পরিচালনা করে, অনেক বড় মাপের ক্রিকেটার। ওর বিরুদ্ধে খেলতে মুখিয়ে রয়েছি। সব সময় বিশ্বের সেরা চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসি।

আগস্ট ০৩, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হস্টেলের ঘর থেকে উদ্ধার এনআরএসের চিকিৎসকের ঝুলন্ত দেহ! ‘বাঁচাও, বাঁচাও’ চিৎকার শুনেছিলেন আবাসিকেরা, ঘনাচ্ছে রহস্য

নাগেরবাজারের একটি হস্টেল থেকে উদ্ধার হল এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক চিকিৎসকের ঝুলন্ত দেহ। মৃতের নাম অভিজিৎ সরকার (৩০)। তিনি এনআরএস হাসপাতালের হাউস স্টাফ ছিলেন। রবিবার সন্ধ্যায় হস্টেলের ঘর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চিকিৎসকের মৃত্যুর পিছনে কী কারণ, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় হস্টেলের ঘরে গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় অভিজিতের দেহ দেখতে পান আবাসিকেরা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত। হস্টেলের অন্যান্য আবাসিকদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।তদন্তে উঠে এসেছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে হস্টেলের কয়েক জন আবাসিক দাবি করেছেন, ঘরের ভিতর থেকে বাঁচাও, বাঁচাও বলে চিৎকার শুনেছিলেন তাঁরা। সেই দাবি ঘিরেই নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কখন ওই চিৎকার শোনা গিয়েছিল? চিৎকার শোনার পর কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।মাত্র ৩০ বছর বয়সি এক চিকিৎসকের এমন আকস্মিক মৃত্যু ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কী কারণে তাঁর মৃত্যু হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক ভাবে আত্মহত্যার আশঙ্কা করা হলেও, মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চাইছে না পুলিশ।ইতিমধ্যে হস্টেল থেকে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসকের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা করছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি হস্টেলের আবাসিকদের বয়ান এবং ঘটনার আগে ও পরের পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আরজি কর-কাণ্ডের স্মৃতি এখনও তাজা। তার মধ্যেই এক চিকিৎসকের হস্টেলে এমন মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে অভিজিতের মৃত্যুর সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। তদন্তের পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বাধা, তাই কেরলে নতুন কৌশল! মোদী সরকারের বিরুদ্ধে পথে অভিজিৎ দীপক, পাশে প্রকাশ রাজ

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন প্রথম দিকে বেশ সাড়া ফেলেছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই আন্দোলনের প্রভাব কিছুটা কমেছে। এর আগে দিল্লিতে দুবার গ্রেফতার হয়েছেন দলের নেতা অভিজিৎ দীপক ও সৌরভ দাসরা। অন্য দিকে, দিল্লিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের বিরুদ্ধে আন্দোলনও তেমন জমেনি। তাই এ বার কংগ্রেস শাসিত কেরলের কোচিতে নতুন করে আন্দোলনের কর্মসূচি নিলেন অভিজিৎ দীপকেরা। এসআইআর বিরোধী বিক্ষোভের মঞ্চ থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করলেন তাঁরা।সম্প্রতি একাধিক বার গ্রেফতার হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপককেও তাঁর বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তবে গ্রেফতারি বা পুলিশের পদক্ষেপে যে তিনি পিছিয়ে আসবেন না, কোচির সভা থেকে সেই বার্তাই দিলেন তিনি।শনিবার কোচির মেরিন ড্রাইভে মিছিল করেন দলের নেতা ও সমর্থকেরা। এই কর্মসূচি থেকে নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি মোদী সরকারকেও আক্রমণ করেন অভিজিৎ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও ওঠে মিছিল থেকে।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিজিৎ বলেন, জাতীয় পতাকা তোলার জন্য তাঁকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। তাঁর দুই সঙ্গী সৌরভ ও আশুকেও একই কারণে জেলে যেতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিজিতের কথায়, ব্রিটিশ শাসনের সময় ভারতে এমন ঘটনা ঘটত। স্বাধীনতার পর আবার কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করে অভিজিৎ জানান, আন্দোলন থামাতে গ্রেফতার করা হলেও তিনি পিছিয়ে আসবেন না। আগামী দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ কর্মসূচি করবেন তাঁরা। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, কেরল কিংবা তামিলনাড়ুযেখানেই তাঁদের আটক করা হোক না কেন, আবার জাতীয় পতাকা তুলে প্রতিবাদ জানাবেন বলে ঘোষণা করেন তিনি।এ দিন কোচির রাস্তায় জাতীয় পতাকা হাতে মিছিলে হাঁটেন ককরোচ জনতা পার্টির বহু সমর্থক। মিছিলের সামনের সারিতে ছিলেন অভিনেতা প্রকাশ রাজ। দলের এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছিল যন্তর মন্তর অ্যাট কোচি। বামপন্থী যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআইও এই কর্মসূচিকে সমর্থন করে। ফলে মিছিলে বেশ ভালো ভিড় দেখা যায়।তবে এই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে আরও একটি বিষয় নজর কেড়েছে। মিছিল থেকে একাধিক বার আজাদি স্লোগান ওঠে। সব মিলিয়ে দিল্লিতে বারবার গ্রেফতারির পর কেরলের কোচিতে নতুন করে আন্দোলনের মঞ্চ তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করলেন অভিজিৎ দীপকেরা।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গেই দীপাবলি কাটাবেন মোদি! কোথায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী? জল্পনা তুঙ্গে

দেশবাসীকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আলোর উৎসবের দিনে সীমান্তে কর্তব্যরত সেনাদের সঙ্গে সময় কাটানোর কথাও জানালেন তিনি। শনিবার সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রতি বছরের মতো এ বারও দীপাবলির দিন দেশের বীর জওয়ানদের সঙ্গে কাটাবেন তিনি। তবে এ বার ঠিক কোন সেনা ছাউনি বা সীমান্ত এলাকায় যাবেন, তা এখনও জানাননি প্রধানমন্ত্রী।ভিডিও বার্তায় মোদি বলেন, দীপাবলির পবিত্র উৎসবে গোটা দেশ আলোয় সেজে উঠেছে। অন্ধকারের বিরুদ্ধে লড়াই এবং নতুন আশার বার্তা দেয় এই উৎসব। দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, দীপাবলি সকলের জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অন্য সকলের মতো তিনিও অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে এই উৎসব পালন করেন। তবে দীপাবলির দিন সেনাদের সঙ্গে সময় কাটানো তাঁর কাছে বিশেষ অভ্যাস হয়ে উঠেছে। তাই এ বারও দেশের নিরাপত্তায় সীমান্তে পাহারায় থাকা জওয়ানদের সঙ্গেই উৎসবের দিনটি কাটাবেন তিনি।তবে এ বার প্রধানমন্ত্রীর গন্তব্য কোথায়, তা নিয়ে এখনও কৌতূহল রয়েছে। নিরাপত্তার কারণে সাধারণত শেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর সফরের জায়গা প্রকাশ করা হয়। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে প্রতি বছরই সেনা বা নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করেছেন মোদি। কখনও সিয়াচেনে, কখনও কাশ্মীরে, আবার কখনও নৌসেনার যুদ্ধজাহাজ আইএনএস বিক্রান্তে গিয়ে জওয়ানদের সঙ্গে উৎসব কাটিয়েছেন তিনি।এ দিন সকালে উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণণের সঙ্গেও দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। দুজনে একে অপরকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানান। পরে সেই সাক্ষাতের ছবি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করেন মোদি। তিনি জানান, উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে দীপাবলির শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।এর আগে ধনতেরস উপলক্ষেও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এ বার দীপাবলির শুভেচ্ছা বার্তার পাশাপাশি সেনাদের সঙ্গে উৎসব কাটানোর কথা জানিয়ে দেশের নিরাপত্তারক্ষীদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতার বার্তাও দিলেন তিনি।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
বিদেশ

আমেরিকায় দীপাবলির অনুষ্ঠানেই তাণ্ডব! হিন্দুদের ‘দেশছাড়া’র ডাক, ট্রাম্পের মাগা সমর্থকদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

আমেরিকার সিয়াটেলে দীপাবলির অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি হল তীব্র উত্তেজনা। অভিযোগ, উৎসব চলাকালীন সেখানে ঢুকে হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক স্লোগান দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কট্টর দক্ষিণপন্থী সমাজকর্মী জেক ল্যাং। শুধু স্লোগান নয়, অনুষ্ঠানে উপস্থিত মানুষদের হেনস্থা ও হামলার অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমেরিকায় শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিবাদ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সিয়াটেলে দীপাবলির অনুষ্ঠান চলাকালীন সেখানে প্রবেশ করেন জেক ল্যাং এবং তাঁর অনুগামীরা। তাঁদের হাতে ছিল একাধিক প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা ছিল হিন্দু-বিরোধী নানা বার্তা। অভিযোগ, তাঁরা হিন্দুদের আমেরিকা থেকে বহিষ্কারের দাবিও জানান। এমনকি খ্রিস্টানদের দেশে হিন্দুদের কোনও জায়গা নেই বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা।এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একটি বিশেষ অবমাননাকর শব্দডট হেড। মূলত কপালে টিপ, তিলক বা সিঁদুর পরা ভারতীয় এবং হিন্দুদের অপমান করতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। দীপাবলির মতো একটি ধর্মীয় উৎসবের অনুষ্ঠানে এই ধরনের মন্তব্য ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষোভ ছড়িয়েছে।ঘটনার পর সমাজমাধ্যমেও সরব হন জেক ল্যাং। সেখানে হিন্দুদের উদ্দেশে কটূক্তি করার পাশাপাশি আমেরিকার রাজনীতিতে তাঁদের ভূমিকা নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, হিন্দুদের কারণেই আমেরিকায় ডেমোক্র্যাটরা জয়ী হয়েছেন। তাঁর এই মন্তব্য নিয়েও শুরু হয়েছে বিতর্ক।এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য তথা ভারতীয় বংশোদ্ভূত ডেমোক্র্যাট নেত্রী প্রমিলা জয়পাল। গোটা ঘটনাকে ঘৃণ্য এবং বর্ণবিদ্বেষী বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। সমাজমাধ্যমে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রমিলা লেখেন, এই ধরনের আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয়। দীপাবলি একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। আমেরিকায় বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে নিরাপদে এই উৎসব পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাঁর কথায়, আমেরিকায় বিদ্বেষের কোনও জায়গা নেই।প্রমিলা জয়পাল ছাড়াও বহু মার্কিন নাগরিক এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আমেরিকার একাধিক হিন্দু সংগঠনও ঘটনার নিন্দা করেছে। তাঁদের বক্তব্য, ধর্মীয় উৎসবের অনুষ্ঠানে ঢুকে কোনও সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো শুধু অগ্রহণযোগ্য নয়, তা আমেরিকার বহুত্ববাদী সমাজের ভাবনারও বিরোধী।দীপাবলির মতো উৎসব যেখানে আলো, আনন্দ এবং সম্প্রীতির বার্তা দেয়, সেখানে এমন ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সিয়াটেলের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমেরিকায় হিন্দুদের নিরাপত্তা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
বিদেশ

কপালে তিলক পরায় স্কুলে বাধা! ছেলেকে অন্যত্র ভর্তি করাতে বাধ্য বাবা, ২৫ হাজার পাউন্ডের মামলা

ছোট থেকেই স্বামীনারায়ণ সম্প্রদায়ের ভক্ত সে। হিন্দু ধর্মাচরণের অঙ্গ হিসাবে কপালে তিলক ও চন্দন পরত। বাড়ির পাশাপাশি স্কুলেও সেই অভ্যাস বজায় রাখতে চাইত ৯ বছরের পড়ুয়া। কিন্তু অভিযোগ, তার কপালে তিলক দেখে আপত্তি জানায় স্কুল কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে ছেলেকে ওই স্কুল থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হন বাবা-মা। এ বার পশ্চিম লন্ডনের সেই প্রাথমিক স্কুলের বিরুদ্ধেই মামলা করলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ওই পড়ুয়ার বাবা। তাঁর দাবি, ধর্মাচরণের স্বাধীনতায় বাধা দেওয়া হয়েছে ছেলেকে। ক্ষতিপূরণ হিসাবে ২৫ হাজার পাউন্ড দাবি করেছেন তিনি। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। মামলাটির এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।পশ্চিম লন্ডনের ভাইকারস গ্রিন প্রাথমিক স্কুলে পড়ত ওই ছাত্র। সে স্বামীনারায়ণ সম্প্রদায়ের অনুগামী। বাড়িতে যেমন তিলক ও চন্দন পরত, স্কুলেও একই ভাবে যেত। অভিযোগ, ছাত্রের কপালে তিলক দেখে স্কুল কর্তৃপক্ষ নানা প্রশ্ন করতেন। এমনকি তাকে কটূক্তির মুখেও পড়তে হয়েছিল বলে দাবি পরিবারের। ২০২৫ সালের ওই ঘটনার পর ছেলেকে স্কুল থেকে সরিয়ে অন্য স্কুলে ভর্তি করান তার বাবা-মা।এ বার ওই স্কুলের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ছাত্রের বাবা। আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় তাঁর অভিযোগ, তিলক পরার কারণে ছেলেকে ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছিল স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে সে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই তাকে ওই স্কুল ছাড়াতে হয়। বাবার দাবি, ছেলের পড়াশোনার খরচ বাবদ ২৫ হাজার পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দিতে হবে স্কুলকে।লন্ডনের আশ্রয় নামে একটি আইনি পরামর্শদাতা সংস্থার মাধ্যমে মামলা করেছেন ওই ব্যক্তি। তাঁর আইনজীবী অম্বরীশ লিম্বাচিয়ার দাবি, এই ঘটনা শুধু একটি স্কুল বা এক পড়ুয়ার সমস্যা নয়। তাঁর মতে, ব্রিটেনে প্রত্যেকের নিজের ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী জীবনযাপনের অধিকার রয়েছে। স্কুলে পড়ার সময়েও কোনও পড়ুয়াকে নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস বা পরিচয় থেকে দূরে থাকতে বাধ্য করা যায় না।আইনজীবী বলেন, এটি স্বাধীন ভাবে ধর্মাচরণের অধিকারের প্রশ্ন। কোনও পড়ুয়া স্কুলে পড়ছে বলে তার ধর্মীয় বিশ্বাসে বাধা দেওয়া যায় না। ব্রিটেনে প্রত্যেক শিশুর স্বাধীন ভাবে বেড়ে ওঠার অধিকার রয়েছে। সেখানে কোনও ভেদাভেদ থাকার কথা নয়। তাঁর আরও দাবি, ব্রিটেনে প্রায় ১০ লক্ষ হিন্দু নাগরিক রয়েছেন। এই ঘটনার মাধ্যমে তাঁদের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত করা হয়েছে। আদালত শিশুদের স্বাধীনতা ও ধর্মাচরণের অধিকারকে গুরুত্ব দিয়ে রায় দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।তবে মামলাটির এখনও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য বা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সামনে না আসা পর্যন্ত অভিযোগগুলিকে অভিযোগ হিসাবেই দেখা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
দেশ

এক সময় নকশাল হামলায় প্রাণ যেত জওয়ানদের, এখন বদলেছে পরিস্থিতি! বস্তারে দাঁড়িয়ে কী বললেন মোদী?

নকশাল দমনে বড় সাফল্যের দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর দাবি, গত এক বছরে কর্তব্যরত অবস্থায় প্রাণ হারাননি কোনও সিআরপিএফ জওয়ান। রবিবার দীপাবলি উপলক্ষে ছত্তীসগঢ়ের বস্তারে নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই দেশের নকশালবিরোধী লড়াইয়ের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন তিনি। মোদীর দাবি, ২০১৪ সালের পর থেকে মাওবাদী দমনে দেশের পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নিরাপত্তার জন্য বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার রাজনৈতিক সদিচ্ছা ২০১৪ সালের পর আরও শক্তিশালী হয়েছে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে শত্রুদের বিরুদ্ধে দৃঢ় মনোভাব এবং সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে লড়াই করতে হবে। তাঁর কথায়, একটা সময় নকশাল হামলায় নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানদের মৃত্যুর সংখ্যা নকশালদের মৃত্যুর সংখ্যার চেয়ে বেশি ছিল। কিন্তু গত এক বছরে কর্তব্যরত অবস্থায় কোনও সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়নি। গত ৪৭ বছরের ইতিহাসে এমন ঘটনা এই প্রথম বলে দাবি করেন তিনি।এই সাফল্যের কৃতিত্ব নিরাপত্তাবাহিনীর সাহস, ধৈর্য এবং দৃঢ় মনোভাবের পাশাপাশি সরকারের নীতিকেও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, নকশাল দমনে দীর্ঘদিন ধরে যে সমস্যা ছিল, তা মোকাবিলায় আগের সরকারগুলি যথেষ্ট পদক্ষেপ করেনি।২০০৪ থেকে ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান তুলে ধরে পূর্বতন সরকারগুলিকে নিশানা করেন মোদী। তাঁর দাবি, ওই সময়ে প্রতি বছর নকশালদের তুলনায় বেশি সংখ্যায় নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ান প্রাণ হারাতেন। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন সরকারগুলি নকশাল সমস্যাকে এমন একটি রোগ বলে মনে করত, যার কোনও সমাধান নেই। ফলে সমস্যার মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়নি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মাওবাদীরা শুধু নিরাপত্তাবাহিনীর উপরেই হামলা চালায়নি, সাধারণ মানুষকেও নিশানা করেছে। বহু এলাকায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাধা দিয়েছে তারা। এমনকি সাধারণ মানুষের ভোট দেওয়ার অধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। এক বছরে দেশে প্রায় ২ হাজার নকশাল হামলার ঘটনাও ঘটেছিল বলে জানান তিনি।ছত্তীসগঢ়ের ২০১০ সালের ভয়াবহ হামলার কথাও স্মরণ করেন মোদী। দান্তেওয়াড়ায় নকশাল হামলায় ৭৬ জন সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখ করেন তিনি। ওই বছরই একই জেলায় আরও একটি ঘটনায় ৪৪ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, এত বড় হামলার পরেও তৎকালীন প্রভাবশালী নেতাদের মধ্যে সেই ঘটনার জন্য যথেষ্ট উদ্বেগ দেখা যায়নি।মোদীর দাবি, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ছত্তীসগঢ়ে নকশাল হিংসা চলেছে। এই সময়ে শুধু ওই রাজ্যেই এক হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর কথায়, শত্রুরা হামলা চালিয়ে যাবে আর দেশ চুপ করে সব মেনে নেবে, এমন মনোভাব নিয়ে কোনও দেশ চলতে পারে না।এ দিন ২০২৬ সালের দীপাবলিকে বিশেষ বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, কয়েক দশকের নকশাল ও মাওবাদী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত বড় জয় পেয়েছে। দেশের প্রতিটি জেলা এখন নকশালমুক্ত বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, নকশাল আতঙ্কের ভয় ছাড়াই এ বার কোটি কোটি মানুষ দীপাবলি উদ্যাপন করতে পারছেন।বস্তারে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মোদী বলেন, ১৪০ কোটি ভারতীয়ের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে এসেছেন। দেশের সীমান্তে যাঁরা পাহারা দেন এবং দেশের ভিতরে নিরাপত্তা বজায় রাখেন, তাঁদের ভূমিকা সমান গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতা রক্ষায় দুই বাহিনীর অবদান অপরিসীম বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দীপাবলি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্তব্যরত নিরাপত্তাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মত্যাগ, নিষ্ঠা এবং দেশের প্রতি দায়িত্ববোধের জন্য গোটা দেশ গর্বিত বলেও জানান তিনি।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

এক প্রতিবাদের মূল্য প্রাণ! ১৮ বছর পরেও কালীপুজোয় বাজি ফাটে না এই গ্রামগুলিতে

কালীপুজো আসে, গ্রামে গ্রামে শ্যামামায়ের আরাধনা হয়। দীপাবলিতে বাড়ি, রাস্তা সাজে আলোয়। কিন্তু পুরুলিয়ার সাঁওতালডিহি শিল্পাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় আর শোনা যায় না শব্দবাজির আওয়াজ। ফাটে না চকোলেট বোম বা কালীপটকা। তুবড়ি, চড়কির ফুলকিও যেন মাটিতে পড়ে না। এর পিছনে রয়েছে এক মর্মান্তিক স্মৃতি। শব্দবাজির প্রতিবাদ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন সুবোধচন্দ্র মাহাতো। এলাকার মানুষের কাছে তিনি আজও শব্দ শহিদ।দুবড়া-সাঁওতালডিহি সড়কের দুপাশে রয়েছে পাহাড়িগোড়া, দেউলি, পড়াশ্যা, শ্যামপুর, মধুডি, ডুমুরডি, বেলকুঁড়া এবং চকবাদের মতো একাধিক গ্রাম। স্থানীয়দের দাবি, এই এলাকায় শব্দবাজি ফাটানো হয় না। এ জন্য পুলিশকে আলাদা করে প্রচারও করতে হয় না। সুপ্রিম কোর্ট বা কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে চলার কথা মাইকে ঘোষণা করারও প্রয়োজন পড়ে না। কারণ, এলাকার মানুষের স্মৃতিতে এখনও অমলিন সুবোধচন্দ্রের মৃত্যু।ঘটনাটি ২০০৮ সালের ২৮ অক্টোবরের। কালীপুজোর রাত। দেউলি কালীমন্দিরে তখন পুজো চলছে। দুবড়া-সাঁওতালডিহি রাস্তার ধারে নিজের তিনতলা বাড়িতে ছিলেন সুবোধচন্দ্র। বয়স পঞ্চাশ পেরিয়েছে। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী ছিলেন। ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের সিন্দ্রি সার কারখানায় কাজ করতেন।সেই রাতে এলাকায় চলছিল শব্দবাজি ফাটানো। একের পর এক বাজির আওয়াজে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন সুবোধচন্দ্র। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ খাওয়াদাওয়া সেরে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বাড়ির দরজা খুলে বাইরে আসেন তিনি। বাজি ফাটানো যুবকদের লোকালয় থেকে দূরে গিয়ে বাজি ফাটাতে অনুরোধ করেন।কিন্তু তাঁর সেই প্রতিবাদে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যুবকেরা তাঁর বাড়ির দরজার সামনেই বাজি ফাটাতে শুরু করেন। এলাকার কয়েক জনের হস্তক্ষেপে কিছুক্ষণের জন্য বাজি ফাটানো বন্ধ হলেও পরে আবার তা শুরু হয়। এমনকি বাড়ির ভিতরেও বাজি ছুড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।রাত ১২টা পেরিয়ে যাওয়ার পর ছেলে মানসকে সঙ্গে নিয়ে ফের বাইরে আসেন সুবোধচন্দ্র। শান্তভাবেই যুবকদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আচমকাই এক যুবক তাঁর বুক ও পেটের মাঝখানে ঘুসি মারেন বলে অভিযোগ। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সুবোধচন্দ্র। এর পর তাঁর শরীরে একের পর এক বাজি ছুড়ে মারা হয়। বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন ছেলে মানস। কিন্তু বাবাকে সামলাতেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। তড়িঘড়ি সুবোধচন্দ্রকে কাছের পিডিসিএল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। মৃত্যু হয় তাঁর।এখনও সেই রাতের স্মৃতি ভুলতে পারেননি সুবোধচন্দ্রের ছেলে মানস। তাঁর কথায়, বাবা হয়তো সবাইকে সচেতন হওয়ার বার্তা দিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা তো তাঁকে হারালাম। আমাদের যা ক্ষতি হওয়ার, তা হয়ে গিয়েছে। মানসের দাবি, এই ঘটনায় অভিযুক্ত নজনই বেকসুর খালাস পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।মানসের বয়স এখন ৪৪ বছর। তবু কালীপুজোর সময় সেই রাতের আতঙ্ক তাঁকে তাড়া করে বেড়ায়। তাঁর কথায়, সেই বছরই দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের কর্তা এবং রাজ্যের আধিকারিকেরা বাবার নামে শব্দ শহিদ শংসাপত্র ও এক লক্ষ টাকার চেক দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা শাস্তি পাবে। কিন্তু কোথায় কী?দেউলি গ্রামের বাসিন্দা এবং বিজেপির পাড়া তিন মণ্ডলের সহ-সভাপতি চিনিবাস মাহাতো বলেন, আগে কী হয়েছে, জানি না। তবে এখানে আর কোনও উৎসবে শব্দবাজি ফাটবে না। এটাই আমাদের শপথ।একটি প্রতিবাদ, একটি মৃত্যু। সেই ঘটনার পর বহু বছর কেটে গিয়েছে। কিন্তু সুবোধচন্দ্র মাহাতোর স্মৃতি আজও ভুলতে পারেননি এলাকার মানুষ। তাই কালীপুজো ও দীপাবলিতে আলো জ্বললেও সাঁওতালডিহির এই গ্রামগুলিতে শব্দবাজির আওয়াজ শোনা যায় না।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ক্ষমতায় নেই তৃণমূল, তবু অনুব্রতর কালীপুজোয় ৭০০ ভরি সোনা! কী বললেন কেষ্ট?

রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। তৃণমূল আর ক্ষমতায় নেই। বোলপুরে দলের কার্যালয়ের কালীপুজোয় তাই আগের মতো জৌলুস নেই। কমেছে লোকজনের ভিড়ও। তবে পুজোর আয়োজনে কোনও খামতি রাখতে চান না অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর দাবি, এ বারও মায়ের প্রতিমা সাজানো হয়েছে প্রায় ৭০০ ভরি সোনার গয়নায়। তিহার জেল থেকে ফিরে এসেও মায়ের গয়নার পরিমাণে কোনও পরিবর্তন দেখেননি তিনি।শনিবার বোলপুরে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে কালীপুজো নিয়ে স্মৃতিচারণা করেন অনুব্রত। তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই কালীপুজোর সঙ্গে যুক্ত তিনি। প্রথমে বোলপুরের নিচুপট্টিতে পুজো করতেন। পরে তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ে পুজো শুরু করেন। সেই পুজোর বয়সও প্রায় ৫০ থেকে ৬০ বছর। অনুব্রতর কথায়, দল ক্ষমতায় নেই। ভেবেছিলাম, পুজোর উপকরণ জোগাড় করতে সমস্যা হবে। কিন্তু মায়ের আশীর্বাদে কোনও অভাব হয়নি।পুজোর আয়োজন নিয়ে অনুব্রত বলেন, সবাই নিজের মতো করে জিনিস দিয়ে যাচ্ছে। আগে মায়ের যত ভরি গয়না ছিল, এ বারও ততটাই রয়েছে। তাঁর দাবি, এ বারও প্রতিমাকে সাজানো হয়েছে প্রায় ৭০০ ভরি সোনার গয়নায়। রবিবার মায়ের ভোগে থাকছে খিচুড়ি, তরকারি, ন রকম ভাজা, পায়েস, চাটনি এবং পাঠার মাংস।২০২১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে অনুব্রতর কালীপ্রতিমার গয়নার পরিমাণ ছিল ৫৭০ ভরি। তার পর থেকে প্রতি বছর গয়নার পরিমাণ বেড়েছে বলে দাবি করা হয়। এ বার সেই পরিমাণ প্রায় ৭০০ ভরি। গয়নার আনুমানিক বাজারমূল্য সাড়ে ১১ কোটি টাকা বলে জানা যাচ্ছে।একসময় এই কালীপুজো ঘিরে বোলপুরে বড়সড় আয়োজন হত। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট-বড় তৃণমূল নেতা, বিধায়ক, মন্ত্রী এবং সাংসদেরা ভিড় জমাতেন। খাওয়াদাওয়ার আয়োজনও থাকত চোখে পড়ার মতো। কিন্তু রাজনৈতিক পালাবদলের পর এ বারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা। এখন হাতে গোনা কয়েক জনকে নিয়েই পুজোর আয়োজন করছেন অনুব্রত। তবু পুজোর প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছেন না উদ্যোক্তারা। ইতিমধ্যেই সাজিয়ে তোলা হয়েছে বোলপুরের তৃণমূল কার্যালয়।অন্য দিকে, বোলপুরের বাড়িপুকুর সম্মিলনীর কালীপুজোর সঙ্গেও একসময় অনুব্রতর যোগ ছিল। তাঁর হাত ধরেই ওই পুজোর সূচনা হয়েছিল। এ দিন সেই পুজোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল। তিনি বলেন, এটাই জগতের নিয়ম। উনি যখন নিজের জায়গায় ছিলেন, তখন পুজো করেছেন। আজ এলেও কোনও বাধা ছিল না। পুজোর ক্ষেত্রে রাজনীতি নেই। পুজো সবার। এখানে পাড়ার লোকেরাই সমস্ত আয়োজন করেছেন।রাজনৈতিক পালাবদলের পর বোলপুরে অনুব্রতর কালীপুজো কেমন হয়, তা নিয়ে কৌতূহল ছিল অনেকের। ক্ষমতায় না থাকলেও পুজোর আয়োজন ঘিরে নিজের পুরনো ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা করছেন অনুব্রত।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal